ইসমিদ সুরমা (লাল/কালো)
৳100
৳110
চোখের সমস্ত রোগ নিরাময়ে সুন্নতী ইসমিদ সুরমা
সুন্নতী প্রসাধনী ইসমিদ সুরমা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- "হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা ইসমিদ সুরমা লাগাও। এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতার পশম গজায়। তিনি মনে করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিল। তা হতে তিনি প্রতি রাতে তিনবার ডান চোখে এবং তিনবার বাঁ চোখে সুরমা লাগাতেন। সুবহানাল্লাহ!" (তিরমিযী শরীফ/১৭৫৭)
"হযরত সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পিতা থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা অবশ্যই চোখে ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা চোখের ময়লা দূর করে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৫)
"হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত: তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছেন, তোমরা ঘুমানোর সময় অবশ্যই ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৬)
"হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমাদের জন্য উত্তম সুরমা হচ্ছে ইসমিদ। তা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৭)।
উপকারিতা:
- নিয়মিত সুরমা ব্যবহারে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি পায়।
- যে ব্যক্তি আশুরার দিন মেশক মিশ্রিত (ইসমিদ) সুরমা চোখে দিবে, সেদিন হতে পরবর্তী এক বৎসর তার চোখে কোন প্রকার রোগ হবেনা।” সুবহানাল্লাহ।
- চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে যেসব জীবাণু বাধা দেয় সেগুলোকে ধ্বংস করে।
- চোখের জ্বালাপোড়া দূর করে।
- চোখের ভিতরে প্রবেশকৃত ধূলা-বালি ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরন করে থাকে।
- এটি চোখের ভ্রু বৃদ্ধি করে থাকে।
SKU: SF-2443-DGWG
Categories: Sunnati Cosmetics, Sunnati All food, Surma, All products
চোখের সমস্ত রোগ নিরাময়ে সুন্নতী ইসমিদ সুরমা
সুন্নতী প্রসাধনী ইসমিদ সুরমা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- "হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা ইসমিদ সুরমা লাগাও। এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতার পশম গজায়। তিনি মনে করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিল। তা হতে তিনি প্রতি রাতে তিনবার ডান চোখে এবং তিনবার বাঁ চোখে সুরমা লাগাতেন। সুবহানাল্লাহ!" (তিরমিযী শরীফ/১৭৫৭)
"হযরত সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পিতা থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা অবশ্যই চোখে ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা চোখের ময়লা দূর করে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৫)
"হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত: তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছেন, তোমরা ঘুমানোর সময় অবশ্যই ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৬)
"হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমাদের জন্য উত্তম সুরমা হচ্ছে ইসমিদ। তা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতায় পশম গজায়। সুবহানাল্লাহ!" (ইবনে মাজাহ শরীফ- ৩৪৯৭)।
উপকারিতা:
- নিয়মিত সুরমা ব্যবহারে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি পায়।
- যে ব্যক্তি আশুরার দিন মেশক মিশ্রিত (ইসমিদ) সুরমা চোখে দিবে, সেদিন হতে পরবর্তী এক বৎসর তার চোখে কোন প্রকার রোগ হবেনা।” সুবহানাল্লাহ।
- চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে যেসব জীবাণু বাধা দেয় সেগুলোকে ধ্বংস করে।
- চোখের জ্বালাপোড়া দূর করে।
- চোখের ভিতরে প্রবেশকৃত ধূলা-বালি ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরন করে থাকে।
- এটি চোখের ভ্রু বৃদ্ধি করে থাকে।
আপনার পর্যালোচনা যোগ করুন
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলি * দিয়ে চিহ্নিত
পর্যালোচনা লিখতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন!
মনে হচ্ছে এখনও কোনো পর্যালোচনা নেই।