জায়নামায (হালাল নকশাযুক্ত)
৳0
জায়নামাযের নকশায় মুখোচ্ছবি, দেব-দেবির অবয়ব, স্যাটার্নিজমের প্রতীক ইত্যাদি এখন উন্মুক্ত। বাজারের অধিকাংশ জায়নামাযই ভারত, চীন এসব দেশ থেকে আমদানীকৃত। আর তারা তাদের বিশ্বাস/ধর্ম অনুযায়ী কিছু নকশা জুড়ে দেয় মুসলমানদের জায়নামাযে। এতে এক দিক থেকে তাদের মতাদর্শের প্রতীকের প্রচার করে অপর দিক থেকে মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগী নামায নষ্ট করে দেয়ার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হয়। মুসলমানদের ঘরগুলো রহমত শূণ্য হয়ে পড়ে। নাউযুবিল্লাহ!
যদিও এসব জায়নামাযে নকশাগুলো অনেক সময় এতো সূক্ষ্মভাবে জুড়ানো থাকে যা খুব ভালোভাবে খেয়াল না করলে বোঝার উপায় থাকেনা। তাই বাজার থেকে নকশাযুক্ত জায়নামাজ কেনার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
বি.দ্র: ছবিতে প্রদর্শিত নকশাসমূহের মজুদ সীমিত। অর্ডারে মজুদে থাকা নকশার জায়নামায দেয়া হবে।
SKU: SF-2443-9ERA-lwFYz-a1nr4-p1kib
Categories: সুন্নাতি অ্যাকসেসরিজ
চাকচিক্যপূর্ণ ও বহু নকশাখচিত জায়নামাযে নামায আদায় করাকালীন নকশার দিকে দৃষ্টি সরে যাওয়া ও নকশার দিকে মনোযোগ চলে যাওয়ার অধিক সম্ভাবনা থাকে।
মসজিদে নববী বা রওযা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া যে কারণে হারাম ও নাজায়িয-
মসজিদে নববী বা রওযা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া হারাম ও নাজায়িয। আর আমভাবে কা’বা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া মাকরূহ তাহরীমী এবং খাছভাবে হারাম ও নাজায়িয। অতঃপর আমভাবে নকশা খচিত জায়নামাযে নামায পড়া সুন্নতের খেলাফ বা মাকরূহ এবং হুযূরী বিনষ্ট হওয়ার কারণ।
কারণ পবিত্র ও সম্মানিত কা’বা শরীফ, মসজিদে নববী শরীফ এবং বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার শেয়ার বা নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেকের জন্যই ফরয এবং অশেষ কল্যাণের কারণও বটে।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক বলেন-
ومن يعظم شعائر الله فانها من تقوى القلوب
অর্থ: “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে, নিশ্চয়ই তা তার জন্য অন্তরের তাক্বওয়া বা পবিত্রতারই নিদর্শন।” (সূরা হজ্জ-৩২)
মহান আল্লাহ পাক অন্যত্র আরো বলেন-
ومن يعظم حرمت الله فهو خير له عند ربه
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক যে সকল বস্তুকে সম্মানিত করেছেন, তাকে যে ব্যক্তি সম্মান করলো, এটা তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কল্যাণ বা ভালাইয়ের কারণ হবে।” (সূরা হজ্জ-৩০)
উপরোক্ত আয়াত শরীফসমূহ দ্বারা এটাই ছাবিত হলো যে, মহান মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা সকলের জন্যই ফরয। আর সেগুলোর অবমাননা করা সম্পূর্ণই হারাম ও নাজায়িয।
কাজেই, “পবিত্র ও সম্মানিত কা’বা শরীফ, মসজিদে নববী শরীফ, বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ” যেহেতু মহান মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত, সেহেতু উক্ত নিদর্শনসমূহকে পায়ের নিচে রাখা বা সেগুলোকে পদদলিত করা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহকে অবমাননা করার শামিল। যা শুধু আদবের খেলাফই নয় বরং স্থান ও ক্ষেত্র বিশেষে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। তাই মহান মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-
يايها الذين امنوا لا تحلوا شعائر الله
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের অবমাননা করো না।” (সূরা মায়িদা-২)
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র এই বিষয়টি বিবেচনা করে তাহকিক (যাচাই-বাছাই) করে শরীয়ত সম্মত বা হালাল নকশাযুক্ত জায়নামায সংগ্রহ করে থাকে। যাতে আপনি নিশ্চিন্তে কিনতে পারেন।
জায়নামাযের নকশায় কিছু অতি সূক্ষ্ম প্রাণীর অবয়বের নমুনা দেয়া হলো-


আপনার পর্যালোচনা যোগ করুন
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলি * দিয়ে চিহ্নিত
পর্যালোচনা লিখতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন!
মনে হচ্ছে এখনও কোনো পর্যালোচনা নেই।