0 0
0
No products in the cart.

খাঁটি ঘি | Pure Ghee

৳800

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে ঘি একটি অন্যতম খাদ্য। তিনি খেজুর, পনির ও ঘি সমন্বয়ে তৈরি ‘হায়স’ নামক মিষ্টান্ন দিয়ে ওলীমা মুবারক করিয়েছেন। (বুখারী শরীফ: কিতাবুত ত্বয়ামা‘য়াহ: বাবুল খ্বুবযিল মুরাক্কাক্বি ওয়া আকলি ‘আলাল খ্বিওয়ানি ওয়াস সুফরাহ: হাদীছ শরীফ নং ৫৩৮৭

এছাড়া ঘি রাখার চামড়ার পাতে মধু রেখে খাওয়া পছন্দ করেছেন। ঘিয়ে ভাজা রুটি খাওয়াও সুন্নত। 

Weight:

(Available)
Quantity

খাঁটি ঘি আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কতটা বাড়িয়ে দিতে পারে। হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র ঘি’কে ‘স্মৃতিবর্ধক’ হিসেবে চিনে আসলেও, বর্তমান সময়ের আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এই তথ্যে সিলমোহর দিচ্ছে।

স্মৃতিভ্রম, মনোযোগের অভাব বা ‘ব্রেন ফগ’-এর মতো সমস্যায় যখন অনেকেই ভুগছেন, তখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ঘি কেন জরুরি, তা নিয়ে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য।

মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বা মেধাশক্তি বাড়াতে ঘি কেন কার্যকরী?

মানুষের মস্তিষ্কের প্রায় ৬০ শতাংশই তৈরি ফ্যাট বা চর্বি দিয়ে। তাই মস্তিষ্কের সুস্থতায় ভালো মানের ফ্যাটের কোনো বিকল্প নেই। ঘিতে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলো যেভাবে আমাদের ব্রেনকে সাহায্য করে:

১. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ম্যাজিক: ঘিতে রয়েছে ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড। এর মধ্যে থাকা উঐঅ (উড়পড়ংধযবীধবহড়রপ ধপরফ মস্তিষ্কের কোষের গঠন মজবুত করে এবং স্নায়বিক সংযোগ দ্রুত করে। ফলে শেখার ক্ষমতা ও মনে রাখার শক্তি বৃদ্ধি পায়।

২. অন্ত্র ও মস্তিষ্কের যোগসূত্র: ঘিতে থাকা ‘বিউটাইরিক অ্যাসিড’ অন্ত্রের প্রদাহ কমায়। বিজ্ঞান বলে, আমাদের অন্ত্র (এঁঃ) ও মস্তিষ্ক একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অন্ত্র সুস্থ থাকলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে।

৩. স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ: ঘিতে উপস্থিত ‘কোলিন’ (ঈযড়ষরহব) মস্তিষ্কের সংকেত আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি ফোকাস বাড়াতে এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সহায়ক।

৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সুরক্ষা: ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে সমৃদ্ধ ঘি মস্তিষ্কের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এটি বয়সজনিত রোগ যেমন আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

 

কিভাবে এবং কতটা খাবেন?

উপকার পেতে ঘি খাওয়ার কিছু সঠিক নিয়ম রয়েছে- 

পরিমাণ: একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে ১ থেকে ২ চামচ (১০-১৫ মিলি) ঘি নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

গরম ভাতে: দুপুরের খাবারে গরম ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে এটি খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমিয়ে দেয়, ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ শক্তি পায়।

সকালে খালি পেটে: সকালে হালকা গরম পানির সঙ্গে এক চামচ ঘি খেলে তা দ্রুত কোষে পুষ্টি জোগায়।
 

 

খাঁটি ঘি চেনার ৭ উপায় 

খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে অনেক উপকার। তবে ভেজাল ঘি ক্ষতিকর। বাজারে পাম তেল বা ডালডা মিশ্রিত ঘি সয়লাব। ঘি বিশুদ্ধ ও গুণগতমান সম্পন্ন কিনা, সেটা যাচাই করে নিতে পারেন কয়েকটি কৌশলে।

১.খাঁটি ঘি চমৎকার সুগন্ধযুক্ত। উত্তপ্ত হলে তীব্র হয় এই সুগন্ধ। ঘি খাঁটি না হলে সুগন্ধ থাকে না। এক চামচ ঘি দিন গরম প্যানে। যদি ঘি তাৎক্ষণিকভাবে গলে যায় এবং গাঢ় বাদামি রঙে পরিণত হয়, তবে এটি খাঁটি ঘি। যদি ঘি গলতে সময় নেয় এবং হলদে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন ঠকেছেন আপনি।

২.খাঁটি ঘি সাধারণত হালকা সোনালি হলুদ রঙের হয়। ঘি অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল দেখালে বা প্রাকৃতিক রঙের অভাব হলে এটি খাঁটি নয়।

৩.ঘরের তাপমাত্রায় ঘি মসৃণ ও ক্রিমি টেক্সচারের হবে। ফ্রিজে রাখা হলে এটি কিছুটা শক্ত হয় কিন্তু উত্তপ্ত হলে সহজেই গলে যায়। টেক্সচার আঠালো হলে এটি খাঁটি নয়।

৪.খাঁটি ঘি পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ হয়।। প্যানে অল্প পরিমাণে গরম করুন ঘি। খাঁটি ঘিয়ে কোনও দানাদার পদার্থ থাকবে না।

৫.খাঁটি ঘি ফ্রিজে রাখলে শক্ত হয়ে যায় কিন্তু ঘরের তাপমাত্রায় তরল থাকে। ঘি যদি রেফ্রিজারেটরেও তরল থেকে যায়, তাহলে এতে তেল বা চর্বি থাকতে পারে।

৬.ঘি পরীক্ষা করার আরেকটি কার্যকর উপায় হলো তালুতে নিয়ে পরীক্ষা করা। হাতের তালুতে এক চামচ ঘি রাখুন। সঙ্গে সঙ্গে সেটি গলতে শুরু করলে ঘি খাঁটি সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

৭.একটি গরম পানির পাত্রে ঘিয়ের বয়াম ডুবিয়ে রাখুন। ঘি গলে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন। যদি দেখেন ঘিয়ের বয়ামে একই রঙের জমাটবাঁধা ঘি, তবে সেটা খাঁটি। ঘিয়ে অন্যান্য উপাদান মেশানো থাকলে আলাদা আলাদা তেলের আলাদা স্তর থাকবে।


আপনার পর্যালোচনা যোগ করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলি * দিয়ে চিহ্নিত

পর্যালোচনা লিখতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন!

ছবি আপলোড করুন

মনে হচ্ছে এখনও কোনো পর্যালোচনা নেই।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy